এলকানার পরিবার
1. পাহাড়ী দেশ ইফ্রয়িমের রামা অঞ্চলে ইল্কানা নামে একজন লোক ছিল
2. ইল্কানার দুই স্ত্রী ছিল
3. প্রতি বছরই ইল্কানা রামা শহর থেকে শীলোতে চলে যেত
4. প্রত্যেকবার ইল্কানা বলি দিয়ে এসে তার একটা ভাগ তার স্ত্রী পনিন্নাকে দিত এবং সে পনিন্নার সন্তানদেরও কিছুটা ভাগ দিত
5. ইল্কানা আর একটা সমান অংশ হান্নাকেও দিত
6. পনিন্না সব সময় হান্নাকে বিরক্ত করত
7. বছরের পর বছর এই ঘটনা ঘটত
হান্নার শপথ
8. ইল্কানা তাকে বলল, “হান্না, তুমি কাঁদছ কেন? কেন তুমি কিছু খাচ্ছ না? কিসের জন্য তোমায় এমন শুকনো দেখাচ্ছে? তোমার জন্য তো আমি আছি
9. খাওয়া দাওযা এবং পান সেরে হান্না চুপচাপ উঠে পড়ল
10. দুঃখিনী হান্না প্রভুর কাছে প্রার্থনার সময় খুবই কাঁদল
11. ঈশ্বরের কাছে সে এক বিশেষ ধরণের মানত করল
12. অনেকক্ষণ ধরে হান্না প্রভুর কাছে প্রার্থনা করল
13. হান্না মনে মনে প্রার্থনা করছিল
14. তাই এলি হান্নাকে বলল, “তুমি খুব বেশী পান করেছ! এখন দ্রাক্ষারস সরিয়ে রাখার সময় হয়েছে
15. হান্না বলল, “না মহাশয়, আমি দ্রাক্ষারস বা সুরা কিছুই পান করি নি
16. ভাববেন না যে আমি খারপ মেয়ে
17. এলি বলল, “নিশ্চিন্তে বাড়ি যাও
18. হান্না বলল, “আশা করি আমার ওপর আপনি সন্তুষ্ট হয়েছেন
স্যামুয়েল জন্মগত এবং উত্সর্গীকৃত
19. পরদিন খুব সকালে ইল্কানার বাড়ির সকলে ঘুম থেকে উঠল
20. পরের বছর হান্না একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দিল
21. সেই বছর ইল্কানা শীলোতে গেল
22. কিন্তু হান্না যেতে চাইল না
23. ইল্কানা তার স্ত্রী হান্নাকে বলল, “যা ভাল বোঝ তাই কর
24. বালকটি যখন বেশ বড়সড় হল, খাবার চিবোতে শিখল, তখন হান্না তাকে নিয়ে শীলোয প্রভুর গৃহে গেল
25. তারা প্রভুর সামনে গেল
26. হান্না এলিকে বলল, “মার্জনা করবেন মহাশয়
27. আমি এই ছেলের জন্যেই প্রার্থনা করেছিলাম এবং প্রভু আমার সেই প্রার্থনার উত্তর দিয়েছেন
28. আমি এখন সেই ছেলেকে প্রভুর কাছে উত্সর্গ করছি